বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্প : তুচ্ছ
আমি সকালে উঠে কাগজপত্র নিয়ে ঘাঁটছি, এমন সময়ে একটি তেরো-চৌদ্দ বছরের ছোট্ট মেয়ে রাঙা শাড়ি পরে আমাদের বাড়িতে ঢুকল। আমাদেরই গ্রামেরই মেয়ে নিশ্চয়, তবে একে কোথাও দেখিনি বলে চিনতে পারলাম না। মেয়েটির এই অল্প বয়সেই বিয়ে হয়েছে, ওর কপালে সিদুঁর, হাতে সোনা-বাঁধানো শাখা। শ্যামবর্ণ, একহারা চেহারার মেয়ে। মুখখানি বেশ ঢলঢল, বড় বড় চোখ। কানে সোনার দুল। জিজ্ঞেস করলুম—কার মেয়ে তুই রে?
মেয়েটি সামান্য একটু হেসে মাটির দিকে চোখ রেখে বললে—বিশ্বনাথ কামারের।
--বিশুর মেয়ে? বেশ বেশ। তোর দেখছি বিয়ে হয়েছে এই বয়েসে। কোথায় শ্বশুর বাড়ি?
মেয়েটির খুব লজ্জা হচ্ছিল শ্বশুরবাড়ির কথায়। সে মুখ অন্যদিকে ফিরিয়ে বললে—নারানপুর।
মেয়েটি সামান্য একটু হেসে মাটির দিকে চোখ রেখে বললে—বিশ্বনাথ কামারের।
--বিশুর মেয়ে? বেশ বেশ। তোর দেখছি বিয়ে হয়েছে এই বয়েসে। কোথায় শ্বশুর বাড়ি?
মেয়েটির খুব লজ্জা হচ্ছিল শ্বশুরবাড়ির কথায়। সে মুখ অন্যদিকে ফিরিয়ে বললে—নারানপুর।
